ঘরে বসেই নিজের এনআইডি (জাতীয় পরিচয়পত্র) কার্ড ডাউনলোডের A টু Z গাইড

ঘরে বসেই নিজের এনআইডি (জাতীয় পরিচয়পত্র) কার্ড ডাউনলোডের A টু Z গাইড:


আসসালামু আলাইকুম! 

সম্মানিত অতিথি,আশা করি সবাই ভালো আছেন। আল্লাহর রহমতে আমিও ভালো আছি । 


আমাদের দৈনন্দিন জীবনে জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি কার্ডের গুরুত্ব যে কতটুকু, তা নতুন করে বলার কিছু নেই। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে সিম কেনা বা সরকারি /, বেসরকারি যেকোনো কাজের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

অনেক সময় আমাদের এনআইডি কার্ড হারিয়ে যায় বা নতুন ভোটার হওয়ার পর কার্ডটি হাতে পেতে অনেক দেরি হয়। যা অত্যন্ত বিভ্রান্তকর ।


চিন্তার কোনো কারণ নেই! আজ আমি আপনাদের শিখাবো কীভাবে আপনি চাইলে নিজের স্মার্টফোন ব্যবহার করেই মাত্র কয়েক মিনিটে অনলাইন থেকে আপনার এনআইডি কার্ডের অরিজিনাল কপিটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন। 


চলুন জেনে নিই কীভাবে কী করতে হবে,


শুরু করার আগে নিচের এই তিনটি জিনিস সাথে আছে কি না নিশ্চিত করুন:



রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া: 


প্রথমে আপনাকে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল পোর্টালে যেতে হবে। ব্রাউজারে গিয়ে এড্রেসবারে লিখুন: services.nidw.gov.bd অথবা এখান থেকে ভিজিট করুন 


ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন অপশনে ক্লিক করুন।



আপনার এনআইডি নম্বর বা ফর্ম নম্বর এবং জন্ম তারিখ দিন। এরপর স্ক্রিনে দেখানো সিকিউরিটি কোডটি (ক্যাপচা) সঠিকভাবে বক্সে লিখে সাবমিট করুন।


৩. ঠিকানা যাচাই

পরের ধাপে আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা (বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা) ড্রপডাউন মেনু থেকে সিলেক্ট করুন। তথ্যগুলো ভোটার হওয়ার সময় যা দিয়েছিলেন, ঠিক সেরকম হতে হবে। সচেতনতার সাথে সেই কাজগুলো করুন 


৪. ফেস ভেরিফিকেশন:


ঠিকানা দেওয়ার পর আপনার মোবাইলে একটি ওটিপি আসবে। সেটি সঠিকভাবে সাবমিট দেওয়ার পর আপনাকে NID Wallet নামের একটি অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে ।
এপসটি প্লে স্টোরে পাবেন । অথবা এখান থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করুন । এপসটি ওপেন করে স্ক্রিনে আসা QR কোডটি স্ক্যান করুন। এরপর আপনার নিজের চেহারা বা ফেস স্ক্যান করতে হবে। ডানে-বামে এবং সোজাসুজি তাকিয়ে ভেরিফিকেশনটি সফল করুন। এটি আপনার নিরাপত্তার জন্যই করা হয়।


৫. পাসওয়ার্ড সেট ও ডাউনলোড:


ভেরিফিকেশন হয়ে গেলে আপনি আপনার প্রোফাইল দেখতে পাবেন। ভবিষ্যতে যেন বারবার এই কাজগুলো করতে না হয়, সেজন্য একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড সেট করে নিন। এরপর নিচে থাকা ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করলেই আপনার এনআইডি কার্ডের ডিজিটাল কপিটি পিডিএফ আকারে ফোনে সেভ হয়ে যাবে।

online Nid card


অনলাইন থেকে পাওয়া এই কপিটি ল্যামিনেটিং করে অরিজিনাল কার্ডের মতোই সব জায়গায় ব্যবহার করতে পারবেন। তবে মনে রাখবেন, নিজের এনআইডি তথ্য কখনোই অপরিচিত কাউকে দেবেন না।


আশা করি এই পোস্টটি আপনাদের উপকারে আসবে। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার জানলে জীবন অনেক সহজ হয়ে যায়। এই বিষয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট বক্সে লিখতে ভুলবেন না। এতক্ষণ সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ ।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.